সাহাবাজ উদ্দিন: বাইরে ভোটার তালিকা দেখে কুপন সংগ্রহ করে সারিবদ্ধ লাইনে, তারপর এক এক করে ভোট প্রদান। এতে নেই কোন পেশিশক্তির মহড়া, নেই ভাংচুর, মারামারির ঘটনা। এ এক অন্যরকম নির্বাচনী আমেজ। এভাবেই সৈয়দপুর আল-ফারুক একাডেমিতে স্টুডেন্ট ক্যাবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার আরো ২৬টি মাধ্যমিক স্কুলেও স্টুডেন্ট ক্যাবিনেট নির্বাচনের ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ চলে। আল-ফারুক একাডেমিতে ভোট গ্রহণের চিত্র দেখার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেহেনা ইয়াসমীন পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি ভোটগ্রহণের চিত্র দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, স্টুডেন্ট ক্যাবিনেট নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত ক্যাবিনেট স্কুলের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার পাশাপাশি স্কুলের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ সকল বিষয়ে শিক্ষকদের সহায়তা করবে। শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল পর্যায় থেকে সুষ্ঠু ও ইতিবাচক রাজনৈতিক আদর্শ গড়ে তুলতে সরকারের এ আয়োজন বলে জানান তিনি। এসময় একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম, নির্বাচন পরিচালনার প্রধান সমন্বয়ক ও একাডেমির সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মোঃ ছাইদুর রহমান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার একাডেমির দশম শ্রেণির ছাত্র নুর হাসান আনসারী, সহকারি নির্বাচন কশিনার একাডেমির নবম শ্রেণীর ছাত্রী আশরাফুন্নাহার প্রাপ্তী ও অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
সূত্রমতে, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরী বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। নির্বাচন সংক্রান্ত সকল দায়িত্বই পালন করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন পরিচালনার জন্য শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ২ জন নির্বাচন কশিনার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্য থেকে ১ জন প্রধান সমন্বয়ক ও ৩ জন সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম প্রত্যেক শ্রেণি থেকে ১ জন করে ৫ জন এবং সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্তদের মধ্য থেকে ৩ জনসহ প্রতিটি স্কুলে ৮ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করেন শিক্ষার্থীরা।